বোরো ধান
দীর্ঘমেয়াদী জাত হওয়ায় সারের চাহিদা বেশি। ইউরিয়া ৩ কিস্তিতে এবং অন্যান্য সার শেষ চাষের সময় দিতে হয়।
ইউরিয়া ১০০০-১২০০ গ্রাম | টিএসপি/ডিএপি ৪০০-৫০০ গ্রামবোরো, আমন ও আউশ ধানের জমিতে সঠিক অনুপাতে ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি, এমওপি, জিপসাম ও দস্তা সার ব্যবহারের বৈজ্ঞানিক নিয়ম ও প্রয়োগ সময়সূচি।
মাটির ধরন ও উর্বরতার ওপর ভিত্তি করে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে মাত্রা সমন্বয় করুন।
দীর্ঘমেয়াদী জাত হওয়ায় সারের চাহিদা বেশি। ইউরিয়া ৩ কিস্তিতে এবং অন্যান্য সার শেষ চাষের সময় দিতে হয়।
ইউরিয়া ১০০০-১২০০ গ্রাম | টিএসপি/ডিএপি ৪০০-৫০০ গ্রামবৃষ্টির কারণে অতিরিক্ত ইউরিয়া লিচিং হতে পারে, তাই পরিমিত প্রয়োগ ও কিস্তির ব্যবধান বজায় রাখুন।
ইউরিয়া ৭০০-৮০০ গ্রাম | টিএসপি/ডিএপি ৩০০-৩৫০ গ্রামস্বল্পমেয়াদের ফসল। চারা দ্রুত বেড়ে ওঠার জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে পুষ্টি নিশ্চিত করা জরুরি।
ইউরিয়া ৬০০-৭০০ গ্রাম | টিএসপি/ডিএপি ২৫০-৩০০ গ্রামসারের অপচয় রোধ ও কার্যকারিতা বাড়াতে সঠিক ধাপে সার প্রয়োগ করুন।
গাছের প্রাথমিক শিকড় বিস্তার ও মজবুত কাঠামোর জন্য জমি তৈরির শেষ চাষে সার প্রয়োগ করুন।
চারা মাটিতে শিকড় গেড়ে সবুজ বর্ণ ধারণ করলে প্রথম কিস্তির ইউরিয়া প্রয়োগ করুন।
অধিক কার্যকর কুশি এবং ফলনশীল শিষ বৃদ্ধির জন্য এ কিস্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ধানের শিষ বের হওয়ার ৫-৭ দিন আগে পুষ্টি সরবরাহ নিশ্চিত করতে শেষ কিস্তি দেওয়া হয়।
ইউরিয়া সারের সাশ্রয় এবং অপচয় কমাতে আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণ করুন।
ফসলের কোন সার কী কাজে লাগে তা জেনে পরিমিত ব্যবহার করুন।
গাছের দ্রুত দৈহিক বৃদ্ধি, কুশির সংখ্যা বাড়ানো এবং পাতার সবুজ ক্লোরোফিল গঠনের জন্য অপরিহার্য উপাদান।
অতিরিক্ত প্রয়োগে রোগবালাই বাড়ে ও গাছ হেলে পড়েমূল বা শিকড় মজবুত করে, দ্রুত চারা প্রতিষ্ঠা করে এবং সময়মতো সুস্থ শিষ ও ফুল ফোটাতে সহায়তা করে।
সব সময় জমি তৈরির শেষ চাষে দিতে হয়গাছের কাণ্ড শক্ত করে, খরা ও রোগবালাই প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ধানের দানা পুষ্ট ও চকচকে করে।
ফলন ও গুণগত মান নিশ্চিত করেলক্ষণ দেখে বুঝুন কোন পুষ্টির অভাব হয়েছে এবং দ্রুত প্রতিকার নিন।
নিচের দিকের পুরনো পাতা প্রথমে হালকা হলুদ হয়ে শুকিয়ে যায়, গাছের বৃদ্ধি থমকে যায় এবং কুশি কম হয়। প্রতিকারে অনুমোদিত মাত্রায় ইউরিয়া উপরিপ্রয়োগ করুন।
পুরনো পাতার ডগা ও কিনারা তামাটে বা পুড়ে যাওয়ার মতো বাদামি রং ধারণ করে। কাণ্ড দুর্বল হয়ে হেলে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।
রোপণের ২-৩ সপ্তাহ পর পাতার গোড়া বা মধ্যভাগে বাদামি মরচে পড়ার মতো ছোপ ছোপ দাগ দেখা যায় এবং বৃদ্ধি থেমে যায়। জিঙ্ক সালফেট বা চিলেটেড জিংক স্প্রে করুন।
ডিএপি (DAP) সার ব্যবহার করলে তাতে নাইট্রোজেন বিদ্যমান থাকে, বিধায় ইউরিয়া সার অন্তত এক-তৃতীয়াংশ কম প্রয়োগ করতে হবে। দস্তা (জিংক) এবং টিএসপি/ডিএপি সার একসাথে মিশিয়ে প্রয়োগ করবেন না; এতে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উভয় সারের কার্যকারিতা নষ্ট হয়। জমিতে সার উপরিপ্রয়োগের সময় পর্যাপ্ত কিন্তু সহনশীল আর্দ্রতা নিশ্চিত করুন।
আপনার জমির আয়তন, অঞ্চল ও ধানের জাতের নাম লিখে কৃষি কর্মকর্তার সরাসরি পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন।